Linebeast কীভাবে খেলবে: শিখতে লাগে দুই মিনিট।

Linebeast শুরু হয় তোমার চেনা ব্লক পাজলের মতোই। তারপর বোর্ডে এসে ঢোকে এক দানব, আর প্রতিটা চাল হয়ে ওঠে ছোট্ট একটা পরিকল্পনা।

01

ব্লক বসাও

একবারে তিনটে আকার পাবে। প্রতিটা আকার 8×8 বোর্ডে যেখানে এঁটে যায়, সেখানে টেনে আনো। তিনটেই বসানো হলে নতুন তিনটে আসে।

02

এফোঁড়-ওফোঁড় করো

একটা পুরো সারি বা কলাম সাফ হয়ে যায়। লাইনটা দানবের ভেতর দিয়ে গেলে ও আঘাত পায়। একসাথে কয়েকটা লাইন সাফ করলে হয় কম্বো।

03

নয়তো ঘিরে ফেলো

দানবকে ব্লক দিয়ে ঘিরে ফেলো। যে ঘরের পাশে একটুও ফাঁকা জায়গা নেই, সেই ঘর পিষে যায়।

এখানেই চেখে দেখো

প্রথম দানবটাকে হারাও। এখনই।

এগুলো আসল গেমের প্রথম লেভেল, চলছে আসল গেম ইঞ্জিনেই। একটা আকার বোর্ডে টেনে আনো আর দানবের ভেতর দিয়ে একটা লাইন সাফ করো।

  • ভরা সারি আর কলাম সাফ হয়দানবের যে ঘরগুলো সাফ হয়, প্রতিটার জন্য ওর এক HP কমে।
  • ফুটকি দেওয়া জায়গাটা দেখোওখানেই ও পরের বার বাড়বে। ওখানে একটা ব্লক বসিয়ে ওকে আটকাও।
  • যেভাবে খুশিমাউস বা আঙুল দিয়ে টানো, নয়তো একটা আকার বেছে তীর চিহ্নের কী আর Enter ব্যবহার করো।
লেভেল 1
দানবটাকে হারাও

লেভেল জেতা

লক্ষ্য, চাল আর তারা

অভিযানের প্রতিটা লেভেলের লক্ষ্য ওপরে দেখানো থাকে: সব দানব হারাও, নির্দিষ্ট সংখ্যক দানবের ঘর পিষে দাও, নয়তো দানবদের ছোট রাখো। এটা করতে তোমার হাতে থাকে নির্দিষ্ট কয়েকটা চাল।

চাল বাঁচিয়ে শেষ করলে সর্বোচ্চ তিনটে তারা পাবে। প্রতিটা দুনিয়া শেষ হয় একজন বসকে দিয়ে, আর তাকে হারালে পরের দুনিয়া খুলে যায়।

শেষের একটু আগে চাল ফুরিয়ে গেল? প্রতিটা গেমে একবার তোমার সঙ্গী উপহার হিসেবে তিনটে বাড়তি চাল দেয়।

পাওয়ার-আপ

  • হাতুড়ি: পথে বাধা হয়ে থাকা একটা ব্লক ভাঙো।
  • এলোমেলো: তোমার তিনটে আকার বদলে নতুন তিনটে নাও।

আজকের দানব আর শিকারে সবাই একই টুকরো আর একই দানব পায়, তাই সেরা খেলোয়াড়ই জেতে।

জলার একটা লেভেল: লক্ষ্যের বারে দেখা যাচ্ছে হারাতে হবে তিনটে দানব, আর বাকি চাল
ওপরে লক্ষ্য আর চাল
বরফের গুহার একটা লেভেল, একটা ভূত দানব আর তার ফুটকি দেওয়া নামার জায়গাগুলো
লাফ দিতে চলেছে একটা ভূত

দানবদের চিনে নাও

সাত রকমের দানব

পথ চলতে চলতে নতুন নতুন ধরনের দানব যোগ দেয়, আর প্রথমবার দেখা দিলেই গেম ওদের পরিচয় করিয়ে দেয়।

আঠালু

কয়েক চাল পরপর একটু করে বাড়ে। লাইন দিয়ে কাটো, নয়তো ঘিরে ফেলো।

দুভাগা

ওকে দুই ভাগ করলে দুই অর্ধেকই ছোট দানব হয়ে বেঁচে থাকে, যাদের নাম পুঁচকে আঠালু।

খোলসওয়ালা

প্রতিটা ঘরে খোলস আছে। প্রথম আঘাতে খোলস ফাটে, দ্বিতীয়টায় ও ব্যথা পায়।

ভূত

কয়েক চাল পরপর অন্য কোথাও লাফিয়ে চলে যায়। ফুটকি দেওয়া জায়গায় একটা ব্লক বসালে ও আটকে যায়।

বোমা

উল্টো গোনে, তারপর আশপাশে তোমার ব্লকগুলো উড়িয়ে দেয়। ফাটার আগেই ওকে হারাও।

খাইখাই

তোমার ব্লকের ভেতরে বেড়ে ওঠে আর সেগুলো খেয়ে ফেলে।

ছানার মা

কয়েক চাল পরপর চিহ্ন দেওয়া জায়গায় একটা করে দানব-ছানা পাড়ে। সেখানে একটা ব্লক বসালে ও আটকে যায়।

টিপস

দুই চাল আগে ভাবো

পরের আকারগুলোর জন্য জায়গা রাখো। যে লাইন দানবকে আঘাত করে আর পরের জন্যও জায়গা ফাঁকা করে, তার দাম দ্বিগুণ।